প্রকাশিত: ৩ ঘন্টা আগে, ১০:৩৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির পরবর্তী ধাপে কেবল সেবার আওতা বাড়ানোই যথেষ্ট নয়, বরং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ, ব্যবসা সম্প্রসারণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে প্রকৃত অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হবে। গত ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) আয়োজিত ‘ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ২.০’ শীর্ষক জাতীয় নীতি সংলাপে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, নীতি নির্ধারক ও আর্থিক খাতের বিশেষজ্ঞরা এই অভিমত ব্যক্ত করেন।
সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, মোবাইল ব্যাংকিং ও ক্ষুদ্রঋণের ব্যাপক প্রসার সত্ত্বেও কটেজ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা এখনো জামানতনির্ভর ঋণব্যবস্থা ও জটিল প্রক্রিয়ার কারণে আনুষ্ঠানিক ঋণসুবিধার বাইরে রয়ে গেছেন। তাই আর্থিক অন্তর্ভুক্তির এই দ্বিতীয় ধাপে অবকাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের ক্ষমতায়নই প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।
সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এমপি বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মতো শক্তিশালী ইন্টারনেট সংযোগকেও দেশের মৌলিক অর্থনৈতিক অবকাঠামো হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি জানান, সরকার অনুমোদিত ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান ওয়ালেট’ উদ্যোগ বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং ডিজিটাল ব্যাংকিং ও ন্যানো-লেন্ডিং সম্প্রসারণে কাজ চলছে।
একই সাথে পিকেএসএফ, ভিসা, বিকাশ, নগদ, ব্যাংক এশিয়া ও ইউসিবিসহ বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা ডিজিটাল পেমেন্ট ও ক্রেডিট ব্যবস্থার কার্যকর সমন্বয়, ক্রেডিট স্কোরিং সহজ করা এবং প্রান্তিক এজেন্ট নেটওয়ার্কের সুবিধা সুরক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ড. হোসেন জিল্লুর রহমান সমাপনী বক্তব্যে জানান, প্রাপ্ত সুপারিশ ও নীতিগত ঐকমত্যের ভিত্তিতে পিপিআরসি শিগগিরই একটি পূর্ণাঙ্গ ‘ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ২.০’ নীতিপত্র প্রকাশ করবে।
মন্তব্য করুন