প্রকাশিত: ৭ ঘন্টা আগে, ১০:১৮ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
লাইফস্টাইল ডেস্ক : ঝাঁঝালো স্বাদের কাঁচামরিচ কেবল তরকারির স্বাদই বাড়ায় না, বরং শীত-গ্রীষ্মের যে কোনো ঋতুতে বন্ধ নাক থেকে মুক্তি দিতেও এটি দারুণ কার্যকর। পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পরিমিত পরিমাপে কাঁচামরিচ রাখলে শরীর প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পায়—যা সামগ্রিক সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়ক।
বিশেষ করে কাঁচামরিচে থাকা ভিটামিন 'এ' ও বিটা-ক্যারোটিন দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে এবং এর প্রচুর ভিটামিন 'সি' চোখের কোষকে সুরক্ষিত করে। শুধু তা-ই নয়, মরিচের মূল সক্রিয় উপাদান 'ক্যাপসাইসিন' শরীরের বিপাকক্রিয়া (মেটাবলিজম) সক্রিয় রাখে, যা ক্যালোরি পোড়ানোর হার বাড়িয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। তাই সুস্থ থাকতে ও মুখের স্বাদ ফেরাতে পাতে রাখতে পারেন কাঁচামরিচ।
সর্দি-কাশি বা নাক বন্ধের সমস্যায়ও কাঁচামরিচ কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে। এর ঝাঁজ নাকের বন্ধভাব কমাতে এবং শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক করতে সহায়তা করে।
গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যাপসাইসিন ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এটি সহায়ক হতে পারে।
কাঁচামরিচে থাকা ভিটামিন সি শরীরে আয়রন শোষণ বাড়ায়। তাই আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধেও এটি উপকারী হতে পারে।
শুকনা বা গুঁড়া মরিচের তুলনায় কাঁচামরিচে পানির পরিমাণ বেশি থাকে। এতে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও বিটা-ক্যারোটিন পাওয়া যায়। এছাড়া কৃত্রিম রং মেশানোর ঝুঁকিও থাকে না এবং ক্যালোরির পরিমাণও খুব কম।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি প্রতিদিন প্রায় ১২-১৫ গ্রাম কাঁচামরিচ খেতে পারেন। তবে যাদের গ্যাস্ট্রিক, আলসার বা হজমজনিত সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা ভালো।
মন্তব্য করুন